Sunday, 24/9/2017 | 6:41 UTC+0
You are here:  / অপরাধ জগৎ / জাপানের খবর / জাপানের ব্যবসায়ী নাঈম ফাঁদে নিঃস্ব হাজার কর্মী

জাপানের ব্যবসায়ী নাঈম ফাঁদে নিঃস্ব হাজার কর্মী

নিজে নিঃস্ব হয়েছি, পরিবারকেও করেছি। প্রায় দেড় বছর আগে বসভিটাসহ সোয়া এক বিঘা জমি ছয় লাখ টাকায় বিক্রি করে সব টাকাই বাবলুর হাতে তুলে দিয়েছি। কথা ছিল জাপানে পাঠাবে। অথচ শুধুই ঘোরাচ্ছে। অভাবী সংসারের বাড়িতেও আর যেতে পারিনি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঢাকায় আছি। রিকশা চালাচ্ছি আর গ্যারেজেই ঘুমাচ্ছি।’ আজকের পত্রিকাকে কথাগুলো বলছিলেন চাঁদপুরের বাসিন্দা মোশারফ হোসেন (পাসপোর্ট নম্বর এসি ৭০৯৩১৫১)। বনানীর ১১ নম্বর রোডে রিকশার প্যাটেল ঘুরাতে ঘুরাতে কথাগুলো বলছিলেন তিনি। এ সময় মোশারফের চোখেমুখে ছিল ক্লান্তির ছাপ। যেন দুনিয়ার সব হতাশা ঘিরে রেখেছে তাকে। জীর্ণ শরীর আর দুর্বল চেহারার এ যুবকটি বললেন, অভাবের সংসার থেকেই সাফল্যের সঙ্গে এইচএসসি পাস করেছি। জীবনে কখনো বেশি পরিশ্রম করতে দেননি বৃদ্ধ বাবা। অথচ এখন নিজে ও পরিবারকে বাঁচাতে রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছি। মানবেতর জীবনযাপন আর অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে এরই মধ্যে শরীরে অসুখও ধরেছে।

শুধু মোশারফ নন, জাপানের স্বপ্নে নিঃস্ব হওয়ার ‘বাস্তব’ গল্প এখন দেশের দুই হাজারেরও বেশি কর্মীর। তারা বলছেন, ভালো আয়ের উদ্দেশ্যে জাপান যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া। এজন্য পরিবারের সবটুকু সম্বল তুলে দেই। কিন্তু এতে প্রতারিত হব, তা কখনোই ভাবিনি। এখন সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জাপান প্রবাসী মীর মোহাম্মদ নাঈম দেশের বিভিন্ন এলাকার এক হাজারের বেশি কর্মী থেকে অন্তত ৪০ কোটি টাকা (প্রত্যেকের দুই থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত) হাতিয়ে নিয়েছেন। এ প্রতারণায় তাকে সহায়তা করেছে বেশকিছু ব্যক্তি। এ ছাড়া নাঈমের ফাঁদে পা দিয়ে ফেঁসে গেছেন দেশের খ্যাতনামা বেশ ক’জন রিক্রুটিং এজেন্সি ব্যবসায়ীও। তারাও খুঁইয়েছেন অন্তত ২০ কোটি টাকা। এসব এজেন্সির প্রতিনিধিদের হাতে টাকা দিয়ে আরো প্রায় এক হাজার কর্মী নিঃস্ব হয়েছেন। আজকের পত্রিকার নিজস্ব অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য থেকে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মীর মোহাম্মদ নাঈম ফোনে (+৮১৮০৩৯৬৩৯২০৭) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টাকা নিয়েছি। আবার অনেককে ফেরতও দিয়েছি। যারা পাবেন তাদেরও দিয়ে দেব। টাকা দিতে পারি না বলেই ফোন ধরি না।’ তিনি জানান, জাপানের বিভিন্ন কোম্পানির কর্মী নেয়ার চাহিদা ছিল। ওই সময় তারা ডিমান্ড লেটারও দেয়। কিন্তু দু’দেশের অ্যাম্বাসির কারণে কর্মী নেয়া সম্ভব হয়নি। এটা দুর্ভাগ্য। বক্তব্য দেয়ার সময় নাঈম রিপোর্ট প্রকাশ না করতে বারবার অনুরোধ করেন। এ সময় বলেন, রিপোর্ট হলে এবং জাপান সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানলে প্রতারণার দায়ে আমাকে গ্রেফতার করবে। কারণ, জাপানিরা প্রতারকের বিষয়ে খুব কঠোর।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ : ফেনীর ফাতেমা বিবি টেলিফোনে আজকের পত্রিকাকে জানান, ২০১৩ সালের মার্চে দুই দফায় সাত লাখ টাকা দেই বে ইস্টার্ন লিমিটেডকে। ফ্যাক্টরির কাজে জাপান পাঠাবে বলে ট্রেনিংও করিয়েছে। অথচ দুই বছরেও পাঠাতে পারেনি। কিছু দিন আগে কোম্পানির মালিকও মারা গেছেন। এখন টাকার দায়িত্ব কেউ নিচ্ছে না। প্রায়ই গুলশানের অফিসটিতে ঘুরছি। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে টাকা পাওয়া। টাকার কারণে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। টেলিফোনে কথা হয় যশোরের নাজমুলের সঙ্গে (পাসপোর্ট নম্বর এবি ৮৩৪৫৮৩০)। জানালেন, ভাইয়ের শ্বশুরের পরিচয়ে চাঁদপুরের আব্দুল হাই সিদ্দিক আত্মীয়। তিনি জাপান পাঠাবেন বলে নাঈমকে পাঁচ লাখ টাকা দেন। পরে ট্রেনিংও করায়। কিন্তু ফল মেলেনি। তিনি জানান, টাকা নেয়ার পরও জাপান পাঠাতে না পারায় নাঈম আশ্বাস দিয়ে বেশ কিছু দিন ফোনে কথা বলেন। ছয় মাস আগে থেকে এখন আর ফোন ধরেন না।

৬১/১ নয়াপল্টনের তৃতীয়তলায় ইয়ং স্টার গ্রুপের অফিসের সামনে কথা হয় বাহ্মণবাড়িয়ার মারুফের সঙ্গে। তিনি জানান, জাপানের কৃষি সেক্টরে কাজ দেবে বলে রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনালের শামীম প্রায় ২০ মাস আগে চার লাখ টাকা নেয়। আজ-কাল পাঠাবে বলে শুধু সময়ই দিচ্ছে আর ঘুরাচ্ছে। টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। এখন অন্য দেশে পাঠাবে বলে সান্ত¡না দিচ্ছে।

চট্টগ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণ চন্দ্র দাস (পাসপোর্ট নম্বর এএ ৬২৪৯২৯৮) বলেন, মৎস্য খামারের কাজ দেবে বলে চার লাখ টাকা নেয় পরিচিত সীতাকুণ্ডের মীর শফিউল্লাহ। পরে এ টাকা নিয়েছে বলে নাঈম ফোনও করেন আমার কাছে। এ সময় দ্রুতই জাপানে যেতে পারব বলে বারবার আশ্বাস দিয়েছেন নাঈম। কিন্তু গত আট মাস ধরে তিনি ফোনও করেন না, কল দিলেও ধরেন না। একদিকে অভাবী সংসারের টানাপড়েন, অন্যদিকে টাকা কীভাবে ফেরত পাব সে চিন্তায় অসহায় অবস্থায় আছি।

নওগাঁর ছাতনীর বাসিন্দা রানা খন্দকার (পাসপোর্ট নম্বর এএ ৮৪৫১২৫৩) জানান, খুব কষ্ট করে তিন লাখ টাকা দেই বরিশালের মোস্তাফিজুরের হাতে। আত্মীয় হওয়ায় টাকা দিতে তেমন কোনো প্রমাণও রাখিনি। পরে ঢাকায় ডেকে ট্রেনিংয়েও ভর্তি করায়। অথচ দীর্ঘ দুই বছরেও জাপানে যাওয়া হয়নি। তিনি জানান, একইভাবে আমার আরো দুই বন্ধুর (তৌফিকুল ইসলাম, পাসপোর্ট নম্বর এএ ১৪২৯৫৩০ ও আতাউর রহমান, পাসপোর্ট নম্বর এএ ৮৪৫৬৫০২) কাছ থেকেও ছয় লাখ টাকা নেয় মোস্তাফিজ। এসব টাকা আমাদের সঙ্গে নিয়ে নাঈমের মিরপুরের বাড়িতে তার (নাঈম) মায়ের হাতে দিয়ে আসেন। এখন জাপানও পাঠাতে পারছে না। টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। জানি না বহু কষ্টের টাকা আদৌ ফেরত পাব কিনা।

প্রায় একই ধরনের অভিযোগ আরো অনেক ভুক্তভোগীর। তারা জানান, দ্রুতই তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে টাকা ফেরত ও প্রতারকের শাস্তি চেয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করবেন।

ভুক্তভোগীরা আরো জানান, খুব সূক্ষ্ম পরিকল্পনায় আগ্রহীদের থেকে টাকা হাতানো হয়। এ জন্য টাকা নেয়ার ছয় মাসের মধ্যে ঘোষিত স্ব স্ব পেশায় (কৃষি, ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন কর্মে) পারদর্শী হতে ট্রেনিং করানো, ভাষা কোর্স (জাপানি ল্যাংগুয়েজ) সম্পূর্ণ ও সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রাখা হয় কর্মীদের। প্রায় চার মাসের এসব কর্মে প্রত্যেকের ব্যয় হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

কর্মী সংগ্রহ ও টাকা নেয়া হয় যেভাবে : সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ম্যানপাওয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নাঈম। দেশের বিভিন্ন এলাকার বেশকিছু ব্যক্তির সঙ্গে তার ছিল সুসম্পর্ক। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২০১২ সালের শেষের দিক থেকে ২০১৩ ও ২০১৪ সালের শুরুতে এক হাজারেরও বেশি কর্মী জোগাড় করে নাঈমের সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য চাঁদপুরের আব্দুল হাই সিদ্দিক, বরিশালের মোস্তাফিজুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আব্দুল সাত্তার, চট্টগ্রামের সৈয়দ আরিফ নেওয়াজ, সীতাকু-ের মীর শফিউল্লাহ, সিরাজগঞ্জের লোকমান আলী, বগুড়ার আবু শাহেদ, নরসিংদীর হাজী মোসলেমসহ প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি। কর্মীদের থেকে টাকা নেয়ার সময় অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন নাঈম। ওই সময় সিন্ডিকেটের সদস্যদের বলতেন, তার এলাকার আগ্রহী কর্মীদের একত্র করতে। সিন্ডিকেট সদস্যদের ডাকে সবাই একসঙ্গে হলে নাঈম ফোনে বক্তব্য দিতেন সবার উদ্দেশ্যে, যা তারা শুনতেন লাউড স্পিকারে। এ সময় জাপানে বিপুল অর্থ আয়ের সম্ভাবনাসহ নানা স্বপ্নের কথা শোনাতেন নাঈম। সিন্ডিকেট সদস্যদের দায়মুক্ত রাখতে জানান, পরিচিত ব্যক্তিরা কেবল কর্মীদের উপকারের লক্ষ্যেই জাপান পাঠানোর সহায়তা করছে। এতে তাদের কোনো স্বার্থ নেই। তাদের হাতে টাকা দিলেও তার সবই পাবে নাঈম। অতএব টাকার বিষয়ে সব দায়ভারই নাঈমের। এ সময় ‘বিশ্বাস’ বাড়াতে ফোন নম্বরও (+৮১৮০৩৯৬৩৯২০৭) দেন তিনি। কেউ ফোন করলে কথাও বলতেন। এ সময় আগ্রহী কর্মীদের থেকে অন্তত ৪০ লাখ টাকা (প্রত্যেকের থেকে দুই থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত) নিয়েছেন নাঈম। টাকা হাতানোর পর মোবাইল খোলা রাখলেও কারো ফোন ধরেন না তিনি।

রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো ফাঁসে যেভাবে : শুধু ব্যক্তিপর্যায়েই প্রতারণা করেননি নাঈম। সূক্ষ্ম পরিকল্পনার ফাঁদে ফাঁসিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা বেশক’জন ম্যানপাওয়ার ব্যবসায়ীকেও। এর মধ্যে রয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (জিটকো) অনুমোদিত (২০১১ সালের ১ আগস্ট) ২৪ প্রতিষ্ঠানের আটটি। সংশ্লিষ্টরা জানান, টাকা হাতাতে কাউকে অগ্রিম ডিমান্ড লেটার দিয়ে আবার কাউকে ডিমান্ড লেটার দেয়ার অঙ্গীকার করে অন্তত ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন নাঈম। প্রতারণার শিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ফেনীর দাগনভূঁইঞা উপজেলার বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেনের (কিছু দিন আগে মারা গেছেন) মালিকানাধীন বে ইস্টার্ন লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানকে ৫০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দিয়ে ১০ কোটি টাকা নেন নাঈম। আমান এন্টারপ্রাইজকে ১৪০ কর্মীর (৯০ জন পুরুষ ও ৫০ জন মহিলা) ডিমান্ড লেটার দিয়ে ৭০ লাখ হাতান তিনি। এমএস ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডকে ৫০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দিয়ে নেন পাঁচ কোটি টাকা। সরকার রিক্রুটিং এজেন্সি লিমিটেডকে ২০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দেয়ার অঙ্গীকার করে হাতানো হয় দুই কোটি টাকা। আটলান্টা এন্টারপ্রাইজ ওভারসিজ লিমিটেডকে ৩০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দেয়ার নামে নেয়া হয় তিন কোটি টাকা। ম্যানইজ পাওয়ার কর্পোরেশনকে ১০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দেয়ার অঙ্গীকার করে নেন ৫০ লাখ টাকা। মেরিট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে ২০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দেয়ার অঙ্গীকার করে ৫০ লাখ টাকা হাতান নাঈম। এ ছাড়া রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডকে ৩০০ কর্মীর ডিমান্ড লেটার দিয়ে নেয়া হয় দুই কোটি টাকা। রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসেবে আছেন প্রতারক নাঈমের আপন ভাই মীর মোহাম্মদ শামীম। নাঈমের কর্মী নেয়ার প্রতিশ্রুতিতে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমান এন্টারপ্রাইজ, রেডিয়াসসহ অনেকেই জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে আগ্রহীদের ডাকেন। এ প্রক্রিয়ায় তারা (ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা) আরো প্রায় এক হাজার কর্মীর প্রত্যেকের থেকে তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। পরে জাপান পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মীদের টাকা ফেরত দিতেও বাধ্য হয়। যদিও নাঈম রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

প্রতারক নাঈম জাপানে, করছেন ব্যবসা : মীর মোহাম্মদ নাঈমের বাড়ি টাঙ্গাইলে। নাঈমের রয়েছে রাজধানীর মিরপুরে বেনারসি পল্লীর পাশে (১০ নম্বর ব্লকের) নিজস্ব বাড়ি। এ বাড়িতে থাকেন নাঈমের মা ও তার ভাই মীর মোহাম্মদ শামীম। শামীম রেডিয়াস ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের পরিচালক। জাপানের এলপি ইন্টারন্যাশনালের সিইও নাঈম প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতানোর পর জাপানের হীরাই থাকা অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন করে অন্যত্র নতুন অফিস নিয়ে ব্যবসা করছেন।

জানতে চাইলে নাঈমের ভাই মীর মোহাম্মদ শামীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভাইয়ের কর্মে আমিও শাস্তি পাচ্ছি। তাকে দেয়া দুই কোটি টাকাতো পাইনি। উল্টো আগ্রহী কর্মীদের থেকে অগ্রিম নেয়া টাকা ফেরতের চাপে আছি। তার প্রতারণায় আমিও নিঃস্ব হয়ে গেছি। ব্যবসা ছেড়ে দেয়ার চেষ্টায় আছি। প্রশাসনের বক্তব্য : বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, প্রবাসী নাঈমের প্রতারণার খবর আমরাও জেনেছি। সে অসংখ্য মানুষকে নিঃস্ব করেছে। ফাঁসিয়েছে কয়েকজন রিক্রুটিং ব্যবসায়ীকেও। জাপানে কর্মী পাঠানোর নামে গরিব মানুষদের থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি সেনসেটিভ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নেবে মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনে আগ্রহীদের দেয়া টাকা উদ্ধারসহ প্রতারকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি বলেন, কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণার সুযোগ নেই। কেউ অনিয়ম এবং অপকর্ম করলে তাকে বড় ধরনের মাশুল গুনতে হবে।

LEAVE A REPLY

Your email address will not be published. Required fields are marked ( required )

20 − ten =

The YCC News Japan

we will bring you the latest news from all over the world on Music, Atrists, Fashion, Musical events that you are looking for.

Find Us On Facebook

Contact Information

CHIBA-KEN MATSUDO-SHI
HON CHO 14-20
POST-COD: 271-0091, JAPAN.
Email : info@theyccnews.com
Mobile : 090-2646-7788
(IMO, WhatsApp, Viber, Tangu, Line)
Tel : 050-5532-9330
Tel : 047-394-4858
Fax : 047-394-4868
Skype: ycc-masudo
Skype: ycclivetv.com
YCC JAPAN CO, LTD
Editor : Masud Ahmed
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com